নিমপাতার ৫ টা ভালো উপকার জেনে নিন। নিমপাতার বেষ্ট উপকার দৈনন্দিন জীবনে
নিম পাতা প্রায় সবার কাছে পরিচিত। বিশেষ করে গ্রাম-বাংলায় নিম গাছ বেশি দেখা যায়। ভেষজ চিকিৎসায় নিম পাতার ব্যবহার বহুল। নিম গাছের ভয়ে এইডস্ কাঁপে’ – হ্যাঁ কথাটি ঠিকই পড়ছেন, নিম পাতা এইডস্ এর ভাইরাসকে মেরে ফেলতে অনেক সাহায্য করে থাকে। যদি বাড়িতে একটি নিমগাছ থাকে একজন ডাক্তারের চেয়ে ও বেশী কাজ করে।
১) প্রতিমাসে অন্ততঃ একদিন নিমপাতা বেটে সমস্ত শরীরে মাখলে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বারে.
২) ১০-১২ টি নিমপাতা ও ২৫ গ্রাম কাঁচা হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে বেটে শরীরে মাখলে কোন চমরোগ হয় না। শরীর মোলায়েম ও উজ্জ্বল হয়। সপ্তাহে অন্তত একদিন মাখতে হবে।
৩) ১ চামচ নিমপাতার গুড়ো ও এক চামচ মধু একসাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে কৃমিরোগ এবং আমাশয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বারে। নিম অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন।
৪) রোজ সকালে খালি পেটে ১ চামচ নিমপাতার রস এবং ১ চামচ কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে খেলে রক্ত পরিস্কার হয়। এছারাও বায়ু পিও এবং কফ নাশ করে চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে।
৫) প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ নিম পতার রস সকালে খালি পেটে ৩ মাস খেলে ডায়বেটিস ভাল হয়। অন্য ভাবেও খেতে পারেন-প্রতিদিন সকালে ১০টি নিম পাতা গুড়া বা চিবিয়ে সেবন করলেও ডায়বেটিস ভাল হয়। নিম পাতার রস খেলে ৩০-৭০% ইনসুলিন নেয়ার প্রবণতা কমে যায়।
বহুদি ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। আবার ঘরে তৈরি নিমের বড়িও খাওয়া যেতে পারে। বড়ি তৈরি করতে নিমপাতা ভালোভাবে ধুয়ে বেটে নিন। এবার হাতে ছোট ছোট বড়ি তৈরি করুন। বড় ডিশে ফ্যানের বাতোসে একদিন রেখে দিন। পরদিন রোদে শুকোতে দিন। নিমের বড়ির জল একেবারে শুকিয়ে এলে এয়ারটাইট বয়ামে সংরক্ষণ করুন। নিমপাতা ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। তাই ত্বকের সুরক্ষায় এর জুড়ি নেই। ব্রণের সংক্রমণ হলেই নিমপাতা থেঁতো করে লাগালে ভালো ফল নিশ্চিত।
নিম পাতা প্রায় সবার কাছে পরিচিত। বিশেষ করে গ্রাম-বাংলায় নিম গাছ বেশি দেখা যায়। ভেষজ চিকিৎসায় নিম পাতার ব্যবহার বহুল। নিম গাছের ভয়ে এইডস্ কাঁপে’ – হ্যাঁ কথাটি ঠিকই পড়ছেন, নিম পাতা এইডস্ এর ভাইরাসকে মেরে ফেলতে অনেক সাহায্য করে থাকে। যদি বাড়িতে একটি নিমগাছ থাকে একজন ডাক্তারের চেয়ে ও বেশী কাজ করে।
১) প্রতিমাসে অন্ততঃ একদিন নিমপাতা বেটে সমস্ত শরীরে মাখলে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বারে.
২) ১০-১২ টি নিমপাতা ও ২৫ গ্রাম কাঁচা হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে বেটে শরীরে মাখলে কোন চমরোগ হয় না। শরীর মোলায়েম ও উজ্জ্বল হয়। সপ্তাহে অন্তত একদিন মাখতে হবে।
৩) ১ চামচ নিমপাতার গুড়ো ও এক চামচ মধু একসাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে কৃমিরোগ এবং আমাশয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বারে। নিম অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন।
৪) রোজ সকালে খালি পেটে ১ চামচ নিমপাতার রস এবং ১ চামচ কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে খেলে রক্ত পরিস্কার হয়। এছারাও বায়ু পিও এবং কফ নাশ করে চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে।
৫) প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ নিম পতার রস সকালে খালি পেটে ৩ মাস খেলে ডায়বেটিস ভাল হয়। অন্য ভাবেও খেতে পারেন-প্রতিদিন সকালে ১০টি নিম পাতা গুড়া বা চিবিয়ে সেবন করলেও ডায়বেটিস ভাল হয়। নিম পাতার রস খেলে ৩০-৭০% ইনসুলিন নেয়ার প্রবণতা কমে যায়।
বহুদি ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। আবার ঘরে তৈরি নিমের বড়িও খাওয়া যেতে পারে। বড়ি তৈরি করতে নিমপাতা ভালোভাবে ধুয়ে বেটে নিন। এবার হাতে ছোট ছোট বড়ি তৈরি করুন। বড় ডিশে ফ্যানের বাতোসে একদিন রেখে দিন। পরদিন রোদে শুকোতে দিন। নিমের বড়ির জল একেবারে শুকিয়ে এলে এয়ারটাইট বয়ামে সংরক্ষণ করুন। নিমপাতা ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। তাই ত্বকের সুরক্ষায় এর জুড়ি নেই। ব্রণের সংক্রমণ হলেই নিমপাতা থেঁতো করে লাগালে ভালো ফল নিশ্চিত।

